বিজ্ঞাপন
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাজারকুল, ধোয়াপালং, ইনানী, পানেরছড়া ও উখিয়া রেঞ্জের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযানটি চালানো হয়। অভিযানের শুরুতেই ধোয়াপালং রেঞ্জের খুনিয়াপালং বিটে একটি নির্মাণাধীন পাকা ভবন গুঁড়িয়ে দিয়ে প্রায় ১ একর বনভূমি জবরদখলমুক্ত করা হয়েছে।
একই সময়ে রাজারকুল রেঞ্জের চকিদারপাড়ায় অবৈধভাবে নির্মিত আরেকটি পাকা ঘর ভেঙে ৫০ শতক জায়গা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া রাজারকুল বিটের পাঞ্জেগানাবাজার সংলগ্ন ঘোনারপাড়ায় ৫টি টিনশেড ঘর ও ঘেরাবেড়া উচ্ছেদ করে আরও ২ একর বনভূমি দখলমুক্ত করে বনবিভাগের মালিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক মো. অভিউজ্জামান, সহযোগী রেঞ্জ কর্মকর্তা আবু রায়হান খান, পানেরছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম, ধোয়াপালং রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জ কর্মকর্তা তোসাদ্দেক হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা ও বনপ্রহরীবৃন্দ।
সহকারী বন সংরক্ষক মো. অভিউজ্জামান অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত বনভূমিতে তাৎক্ষণিকভাবে বনবিভাগের সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বনভূমির জমি পুরোপুরি দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...