বিজ্ঞাপন
অভিযোগ উঠেছে, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের বাকেরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি নিমাই কীর্তনীয়ার নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী চক্র এই মাটি চুরির সাথে জড়িত।
সম্প্রতি জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে নিমাই কীর্তনীয়া চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তারা কৌশলে পরিবর্তন এনেছে। এখন তারা দিনের আলোয় কাজ বন্ধ রেখে মধ্যরাতে ভাসমান পল্টনে ভেকু মেশিন লাগিয়ে নদীর পাড় ও ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো প্রকার বৈধ অনুমতি ছাড়াই নদীর তীরের খাস জমি এবং কৃষিজমির মাটি দেদারসে লুট করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতার কারণে এই চক্রটি দিনের পর দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সাধারণ মানুষ বিষয়টি প্রশাসনকে জানালেও দৃশ্যত কোনো ফল পাচ্ছে না। এমনকি এক মাটি ব্যবসায়ী স্বীকার করেছেন যে, সংবাদ প্রকাশের পর দিনে ঝামেলা হওয়ায় তারা এখন রাতেই মাটি কাটার কাজ সারছেন।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, "নদীর পাড় কাটার বিষয়ে প্রশাসন যথেষ্ট সজাগ রয়েছে। আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি এবং খুব শীঘ্রই জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তন্ময় হালদার জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও স্থানীয় সোর্সের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি অবগত হয়েছেন। নদীর তীর রক্ষা এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
কলসকাঠি ও পাণ্ডব নদীর পাড়ের বাসিন্দারা অবিলম্বে এই মাটি লুট বন্ধ এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...