বিজ্ঞাপন
গত সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে চৌমুহনী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গণিপুর খাল থেকে হেঞ্জু মিয়ার বস্তাবন্দী ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত হেঞ্জু জেলা সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের খলিশালটা গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে। তিনি সপরিবারে বেগমগঞ্জের চৌমুহনী কলেজ রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মার্চ বিকেলে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন হেঞ্জু। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর সোমবার দুপুরের দিকে বেগমগঞ্জ স্টেডিয়াম সংলগ্ন খালে একটি সন্দেহজনক বস্তা ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ এসে বস্তাটি উদ্ধার করলে ভেতরে হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়। আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে অন্য কোথাও তাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দী করে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমা আক্তার বাদী হয়ে গত সোমবার রাতেই বেগমগঞ্জ থানায় একটি অজ্ঞাতনামা হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মরদেহটি ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামছুজ্জামান জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপরতা চালাচ্ছে। খুব দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...