বিজ্ঞাপন
বুধবার (১১ মার্চ) বেলা সাড়ে এগারোটায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৌহীদুর রহমান মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মামলার বাদী ও নিহতের চাচা শ্বশুর আবু বক্কর খান, ভাসুর ইউনুচ খান এবং নিহতের দুই ছেলে পারভেজ ও আলী হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আমেনা বেগম জানান, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ফেসবুকে গরু চুরি সংক্রান্ত একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ও ইউপি সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম জহির এবং তার সহযোগীরা ইদ্রিস খানকে তাদের অফিসে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বাড়িতে পাঠানো হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে অবস্থার অবনতি হলে গত ২ মার্চ নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ৩ মার্চ কলাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। আমেনা বেগম অভিযোগ করেন, গত ৮ মার্চ পটুয়াখালী পুলিশ সুপার তদন্তের জন্য তাদের বাড়িতে গেলে পুলিশ সদস্যদের সামনেই আসামী পক্ষের লোকজন তাকে এবং মামলার সাক্ষীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এ সময় পুলিশ অভিযুক্তদের তাড়িয়ে দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
নিহতের বড় ছেলে পারভেজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "মামলা হওয়ার এত দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। বর্তমানে আমরা চরম জীবননাশের শঙ্কায় রয়েছি। আমরা দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।"
এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম জহিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রযুক্তির ব্যবহারসহ সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে খুব দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...