বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৪ মার্চ) ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আজকের এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানে এমন কিছু মানুষ একত্রিত হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সাধারণ মানুষ যাদের হৃদয় থেকে সম্মান করে। জীবনের অনেক কঠিন ও সংকটাপন্ন মুহূর্তে মানুষ যাদের কাছে একটু প্রশান্তি এবং দুটো ভালো উপদেশের আশা করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইমাম-খতিব-মুয়াজ্জিন এবং হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, পুরোহিত, সেবায়েত ও বিহার অধ্যক্ষদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে ভালো থাকতে চাই। জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই প্রতিশ্রুতিই দিয়েছিলাম।”
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে বদ্ধপরিকর। সমাজের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এই সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজের একটি অংশ।
অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা সরকারের এই সময়োপযোগী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং দেশের শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...