বিজ্ঞাপন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশে খাল খনন বিপ্লব শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও মানুষের কল্যাণে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ঐতিহ্য ধারণ করে আধুনিক উপায়ে পানির সুব্যবস্থা নিশ্চিত করছেন।
তিনি আরও জানান, এই ৫ কিলোমিটার ধুরাল খাল সংস্কারের ফলে কোটালীপাড়ার কুশলা ও সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়নের প্রায় ২৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং ১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
প্রকল্পের আর্থিক দিক উল্লেখ করে তিনি জানান, এ কাজে ৩৪ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে ওইসব শ্রমিকদের জন্য যারা মাথায় ঝুড়ি নিয়ে মাটি কাটবেন। বাকি কাজ অত্যাধুনিক স্কেভেটর দিয়ে সম্পন্ন করা হবে।
সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রথম মন্ত্রিসভায় কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এছাড়া মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য বিশেষ ‘কৃষি কার্ড’ চালুর কাজ শুরু হয়েছে, যা আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে প্রদান করা হবে। আলেম-ওলামাদের সম্মানী এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ঈদ বোনাস হিসেবে ৫ হাজার টাকা প্রদানের ঘোষণাও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ্জ-জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, গোপালগঞ্জ-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ কে.এম বাবর এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস.এম জিলানী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার হাওলাদার।
আলোচনা সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...