বিজ্ঞাপন
আজ সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে গাবখান নদীতে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা তার নিথর দেহটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসে।
নিহত আলিফ একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও হাফেজ ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে আলিফ তার ছোট ভাই আলফি ও খালাতো ভাই টুকটুককে সঙ্গে নিয়ে নদীতে গোসল করতে নামে। গোসলের একপর্যায়ে প্রবল স্রোতের মুখে পড়ে আলিফ হঠাৎ করেই তলিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও গত দুই দিন তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে আজ নিখোঁজের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার হলো।
স্বজনরা জানান, আলিফ পরিবারের সঙ্গে সিলেটের হবিগঞ্জে বসবাস করতেন। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ঝালকাঠির কেফাইত নগরে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল সে। ছুটি শেষে গত রবিবার (২৯ মার্চ) তার বাবা সেলিমের তাকে নিতে আসার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে বাবা পৌঁছালেও ছেলেকে আর জীবিত পাননি; বরং নিথর দেহ নিয়ে তাকে ফিরতে হচ্ছে, যা পরিবার ও স্বজনদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।
আলিফের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গাবখান সেতুর নিচের এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে প্রবল স্রোতের কারণে সাঁতার না জানা শিশু-কিশোরদের জন্য এটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। পর্যাপ্ত সতর্কতা ও সচেতনতার অভাবে এখানে প্রায়ই এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে তারা জানান।
এলাকাবাসী এই স্থানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...