বিজ্ঞাপন
অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, সরকারি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে সম্প্রতি সড়কের উপর গেইট স্থাপনের ফলে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি পরিবারের মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। তারা বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, গেইটটি কোনোভাবেই জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করার উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়নি। বরং এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পারিবারিক গোপনীয়তা, বিশেষ করে বাড়ির নারীদের পর্দা রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এটি স্থাপন করা হয়েছে। তাদের দাবি, গেইট থাকলেও মানুষের চলাচলে কোনো বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম উদ্দিন জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। বর্তমানে গেইটের কারণে তেমন কোনো সমস্যা দেখা না গেলেও ভবিষ্যতে যদি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনের অবস্থান জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, সরেজমিন তদন্ত ছাড়া এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তিনি শিগগিরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনের ইঙ্গিত দেন।
এদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাহেদ আরমান জানান, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়দের একাংশ দ্রুত এ বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান চাইলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...