বিজ্ঞাপন
সোমবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সজিব উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের লোচনাবাদ গ্রামের আবুল হোসেন খানের পুত্র।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লোচনাবাদ মুনির উদ্দিন আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে সজিবদের বসতবাড়ী সংলগ্ন রেকর্ডীয় জমিতে একটি দোকান ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করলে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পিতা আবুল হোসেন খানের অভিযোগ, একই গ্রামের মৃত রুস্তম আলী খানের পুত্র মোঃ মিলন খানের নেতৃত্বে ৮-১০ জন ভাড়াটে লোক দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
এই বর্বরোচিত হামলায় সাইদুল ইসলাম সজিব মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত জখম হন। তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। টানা কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মঙ্গলবার শেষ রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
হামলার ঘটনায় সজিব ছাড়াও আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন— আবুল হোসেন খান (৬৫), তার স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৫৫), হাসান আলী খান (৫৮) ও আয়শা বেগম (৫০)। তারা স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে মিলন খানসহ ৮ জনকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, যার মামলা নম্বর জি আর ৮৮/২৬।
সজিবের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...