বিজ্ঞাপন
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা তানজিন স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে এই কর্মকর্তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ সদর, কাশিয়ানী, কোটালীপাড়া এবং টুঙ্গিপাড়া—এই পাঁচটি উপজেলার ২১টি ফিলিং স্টেশনে সংশ্লিষ্ট উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের এই বিশেষ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। জনস্বার্থে এবং জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের এই কঠোর তদারকি কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
তালিকানুযায়ী, মুকসুদপুর উপজেলার ৫টি ফিলিং স্টেশনের তদারকিতে রয়েছেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার, সমাজসেবা অফিসার, যুব উন্নয়ন অফিসার, শিক্ষা অফিসার এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী। একইভাবে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৯টি ফিলিং স্টেশনের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৯ জন কর্মকর্তাকে, যাদের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সমবায় কর্মকর্তা, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীরা রয়েছেন।
কাশিয়ানী উপজেলার ৫টি ফিলিং স্টেশনে তদারকির দায়িত্বে থাকবেন ৫ জন কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও কৃষি কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার দুটি ফিলিং স্টেশনের জন্য যথাক্রমে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
নিযুক্ত এই কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে তাদের নির্ধারিত ফিলিং স্টেশনগুলো পরিদর্শন করবেন। জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় নিশ্চিত করা এবং গ্রাহক পর্যায়ে কোনো কৃত্রিম সংকট বা অনিয়ম হচ্ছে কি না, তা সরাসরি তদারকি করাই হবে তাদের মূল দায়িত্ব।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...