বিজ্ঞাপন
বুধবার (১ এপ্রিল) বাদ জোহর চরমোনাইর পীর মুফতী সৈয়দ রেজাউল করিমের উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ইসলামী সম্মেলনের সূচনা হয়।
চলতি বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান মাসের কারণে মাহফিলের নির্ধারিত সময়সূচি কিছুটা পিছিয়ে আনা হয়েছে। প্রতি বছর অগ্রহায়ণ ও ফাল্গুন মাসে অনুষ্ঠিত এই মাহফিলে দেশ-বিদেশের লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশ নিয়ে থাকেন। আগামী ৪ এপ্রিল শনিবার বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এই সমাবেশের সমাপ্তি ঘটবে।
উদ্বোধনী বয়ানে চরমোনাইর পীর মুফতী সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, "চরমোনাইর এই মাহফিল কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে নয়, বরং আত্মশুদ্ধি এবং মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। এখানে যারা এসেছেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য হতে হবে নিজের গুনাহ থেকে তওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসা এবং দ্বীনের পথে নিজেকে পরিচালিত করা।"
মাহফিল আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, তিন দিনে পীর সাহেব হুজুর মোট ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করবেন। এছাড়াও দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত আলেম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। মাহফিলের দ্বিতীয় দিন ‘জাতীয় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন’ এবং তৃতীয় দিন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর পৃথক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আগত মুসল্লিদের আবস্থানের জন্য ছয়টি বিশাল মাঠে প্যান্ডেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও মুসল্লিদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় ১৫০ শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে মুজাহিদ কমিটির নিজস্ব বিশাল স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নজরদারি লক্ষ্য করা গেছে।
ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাস, লঞ্চ ও ট্রলারে করে হাজার হাজার মানুষ মাহফিল ময়দানে সমবেত হয়েছেন। মূল প্যান্ডেল ছাড়িয়ে নদী তীরে নোঙর করা কয়েকশ লঞ্চেও অবস্থান নিয়েছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। আগামী দুই দিনে মুসল্লিদের সংখ্যা আরও কয়েক গুণ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...