বিজ্ঞাপন
অভিযুক্ত কমল বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অলিউল হক হিরু মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী জায়গার মালিক জিল্লুর রহমান ভুট্টো জানান, রিয়াজুল হক কমল ঝুটিগ্রাম দাখিল মাদ্রাসা থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য ভুট্টোর মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে জোরপূর্বক কাজ শুরু করেন। সে সময় বাধা দিলে কমল ও তার ভাই কাজলসহ পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় শরীকদের মধ্যস্থতায় একটি মৌখিক এওয়াজ বদল চুক্তির মাধ্যমে সমঝোতা হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, উত্তর পাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণের জন্য জিল্লুর রহমান ভুট্টো ৫৪৫ নং খতিয়ানের ৭৬২ দাগের প্রায় ১০০ হাত দীর্ঘ ও দুই হাত প্রশস্ত জায়গা ছেড়ে দেন। বিনিময়ে পশ্চিম পাশে রাস্তা বা স্থাপনা নির্মাণের জন্য কমলের জায়গা ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু রাস্তা নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর রিয়াজুল হক কমল এখন আর সেই শর্ত মানতে রাজি হচ্ছেন না।
জিল্লুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, গত ২৭ মার্চ তিনি নিজের পাওনা জায়গা বুঝে নিতে গেলে কমল ও তার সহযোগীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করেন। তিনি বলেন, "আমার বাবা মৃত, একমাত্র ভাই বিদেশে এবং মা ঢাকায় চিকিৎসাধীন। এই সুযোগে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কমল আমাকে বারবার লাঞ্ছিত ও হয়রানি করছে।" এর আগে গত নভেম্বর মাসেও এই জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছিল বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় উভয় পক্ষ মুকসুদপুর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে পূর্বের শর্ত মেনে চলার অনুরোধ করলেও রিয়াজুল হক কমল তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য রিয়াজুল হক কমলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জিল্লুর রহমান ভুট্টোর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, "মালিকানাধীন জমিতে রাস্তা বা স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে এওয়াজ বদলের কোনো শর্ত থাকলে তা উভয় পক্ষেরই মেনে চলা উচিত। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...