Logo Logo

অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৩৩ কেভি লাইনের খুঁটি ঝুঁকিতে, সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিককে হুমকি


Splash Image

হাটহাজারী উপজেলাধীন ২ নং ধলই ইউনিয়নে কাটিরহাট ধলই ব্রিজ এর পূর্বপাশে অবৈধভাবে মাটি কাটায় বিস্তীর্ণ এলাকা গভীর খাদে পরিণত হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র, স্থানীয় কিছু বিএনপি পাতিনেতাদের শেল্টারে আওয়ামীলীগের পাতি নেতারা এ অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে মাটি কেটে গভীর গর্ত তৈরি করেছেন। তাছাড়া পার্শ্ববর্তী ধলই খালের পাড় ঘেঁষে মাটি কেটে নেওয়ায় আগামী বর্ষা মৌসুমে খালের পাড় ভেঙ্গে আবাদী জমি ও বাড়ি ঘর প্লাবিত হওয়ার আশংকা রয়েছে।

কয়েকজন জমির মালিক জানান, জোর জবরদস্তি ও প্রভাব খাটিয়ে ফিল্মি স্টাইলে জমি দখল করে রাতের অন্ধকারে মাটি কেটে করে দিচ্ছে মহাসাগর। প্রতিবাদ করতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।

বিশেষ করে ওই এলাকায় স্থাপিত ৩৩ কেভি বৈদ্যুতিক লাইনের খুঁটির নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে দৈনিক ৭১ নামের facebook পেজের তথাকথিত সানিফ চৌধুরী নামের এক সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতিবেদকদের হুমকি দিয়ে বলেন, এসিল্যান্ড সব জানে। এর আগে একবার জরিমানা করা হয়েছে এগুলো স্বাভাবিক বিষয়।

তথাকথিত ভুঁইফোঁড় সাংবাদিক গরু চুরির সাথে সম্পৃক্ত আছে বলে ও জানা গেছে। মাটি কাটায় জড়িত নাজিম ও কথিত“ভুঁইফোঁড় সাংবাদিক এর বড় ভাই হাটহাজারী মডেল থানার বিভিন্ন অপরাধ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। এছাড়াও সালাউদ্দিন মুন্না চৌধুরী নামে আরেক ব্যক্তি প্রতিবেদকদের হুমকি হেনস্থ করে। হেনস্থ করার বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে গত ১লা এপ্রিল ২০২৬ ইং সন্ধ্যায় থানায় উপস্থিত হয়ে হেনস্থকারীদের বিরুদ্ধে হাটহাজারী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। বিষয়টি হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়ে অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেন।

মাটি কাটার বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ( ভূমি) শাহেদ আরমান বলেন, এর আগে এ ঘটনায় একবার জরিমানা করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি এবং অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি গুরুতর অপরাধ। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

বিদ্যুৎ বিভাগের পিডিভির চীফ ইঞ্জিনিয়ার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি।

সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে ও জোর দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...