বিজ্ঞাপন
শুক্রবার সকালে উপজেলার ভজনপুর এলাকায় অবস্থিত তেঁতুলিয়া ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে নির্ধারিত ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে তেল বিক্রি শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে তেল নিতে আসা গ্রাহকদের অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটার আশঙ্কায় তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানা ও তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাম্প ম্যানেজার অমিত দেব। দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কার্যকর সাড়া না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত স্থানীয় গ্রাম পুলিশের সহায়তায় বেলা ১১টার পর তেল বিক্রি শুরু করা হয়।
পাম্প ম্যানেজার অমিত দেব অভিযোগ করে জানান, ট্যাগ অফিসার সময়মতো উপস্থিত থাকলেও গ্রাহকদের হুড়োহুড়ির কারণে তিনি বিক্রি শুরু করতে পারছিলেন না। সহায়তার জন্য দুই থানায় যোগাযোগ করা হলে তারা একে অপরের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি তাকে থানায় গাড়ি পাঠাতে বলেন এবং সেই গাড়িতে করে পুলিশ নিয়ে আসার প্রস্তাব দেন। পাম্পে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় এবং পুলিশের এমন অসহযোগিতামূলক আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান বলে জানা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ও ট্যাগ অফিসার মিঠুন কুমার রায় জানান, মূলত ফুয়েল কার্ডধারীদের তেল দেওয়া হচ্ছিল। ৯টায় কার্যক্রম শুরুর কথা থাকলেও পুলিশের উপস্থিতিতে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে পুলিশ কেন দেরিতে এল বা তাদের পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, তিনি সেই সময় ব্যক্তিগত কাজে গাড়িসহ বাইরে ছিলেন। তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে ম্যানেজারকে গাড়ি পাঠিয়ে কোনো সাহায্য করা যায় কি না তা জিজ্ঞেস করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন যে, একে অপরের কাছে সাহায্য চাওয়া যাবে কি না। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে বেলা ১১টার দিকে পুলিশ সদস্যরা পাম্পে যান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...