বিজ্ঞাপন
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে রোববার রাতে চাটখিল পৌরসভার দৌলতপুর গ্রামের মন্ত্রী পোল সংলগ্ন একটি ঝোপের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত খোকন ওই এলাকার হোসেন আলী পাটোয়ারী বাড়ির মো. ফারুক হোসেনের ছেলে এবং পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন পেয়ে খোকন বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খুঁজেও তাকে না পেয়ে ৪ এপ্রিল শনিবার রাতে চাটখিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, দুর্বৃত্তরা খোকনকে অন্য কোথাও পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করার পর লাশটি গুম করার উদ্দেশ্যে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে গেছে। রোববার রাতে পথচারীরা ঝোপের ভেতর অর্ধগলিত দেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ জানান, মরদেহের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে সেটিকে পোড়ানো হয়েছে। তবে ফরেনসিক রিপোর্ট ছাড়া নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। প্রাথমিক আলামতে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...