ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলামকে উদ্দেশ করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে ভোলায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী বিবি সাওদাকে গ্রেফতার করার ঘটনায় নিন্দা জানান দলের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম।
অফিস চলাকালীনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার করে তাকে মুক্তির দাবি জানান তিনি ।
তারও আগে সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দলের কর্মী সাওদা সুমির সঙ্গে নিকৃষ্ট আচরণ নব্য ফ্যাসিবাদের বার্তা দিচ্ছে।
ওই পোস্টে জামায়াত আমির লেখেছেন, জামায়াতকর্মী সাওদা সুমির সঙ্গে যে নিকৃষ্ট আচরণ করা হয়েছে তা নব্য ফ্যাসিবাদের বার্তা দিচ্ছে। ফ্যাসিবাদীরা সব যুগেই নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার জন্য প্রতিবাদী জনগণের কণ্ঠ নির্লজ্জ ও নিষ্ঠুরভাবে স্তব্ধ করতে চায়। পরিণতিতে তাদের কণ্ঠই স্তব্ধ হয়ে যায়।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘জানি না, অন্তরে যারা ফ্যাসিবাদ লালন করে, তারা অতীত থেকে শিক্ষা নেবে কী না। লজ্জা, লজ্জা!’
রোববার ৫ এপ্রিল রাতে নিজ বাসা থেকে জামায়াত কর্মী সাওদা সুমিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। জামায়াতের এ নারী কর্মীর গ্রেফতার ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
এদিকে ভোলার পৌরসভা মহিলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সাওদাকে রাতের বেলা নিজ বাসা থেকে গ্রেফতারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রাজনৈতিক এই সংগঠনটি এই ঘটনাকে অমানবিক ও অনভিপ্রেত হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে ওই নারীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দলটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল। তিনি এই গ্রেফতারকে গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থি বলে অভিহিত করেছেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়, গতকাল রোববার (৫ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিবি সাওদাকে তার নিজ বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যায়। গ্রেফতারের কারণ জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী থেকে ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ’ থাকার কথা বলা হয়েছে। কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া একজন নারীকে গভীর রাতে গ্রেফতারে এ ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...