বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে নোয়াখালীর চরজব্বর উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজার এলাকার একটি হোটেলের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, নিহত মলি আক্তার ও ঘাতক ইসমাইল হোসেনের পরিচয় হয় সৌদি আরবে কর্মরত থাকাকালীন। সেখানে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তাদের পাঁচ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তবে দাম্পত্য কলহ ও নির্যাতনের জেরে প্রায় এক বছর আগে মলি আক্তার তাকে তালাক দিয়ে কুয়েতে চলে যান। সম্প্রতি মলি দেশে ফেরার পর ইসমাইল পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মলি তা এড়িয়ে চলতেন।
গত ১৪ মার্চ ভোরে একটি রহস্যময় ফোনকল পেয়ে মলি ঘর থেকে বের হন। এর কিছুক্ষণ পরেই বাড়ির পেছনে তাকে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তার বাবা। দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-১১-এর সিপিপি-৩ কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের পরিচয় এবং হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...