বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়।
গোপন সংবাদ পেয়ে প্রথমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে কর্ণফুলী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন হোসেনের নেতৃত্বে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ হাজার ৭৫০ লিটার জ্বালানি তেল মজুদ রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছিল এবং সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্য আদায় করছিল। এই অপরাধের দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান চলাকালীন জব্দ করা সকল তেল আইনানুগ প্রক্রিয়ায় নিকটস্থ একটি অনুমোদিত পেট্রোল পাম্পে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। একই সঙ্গে জননিরাপত্তা ও বাজার স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে ভবিষ্যতে ওই প্রতিষ্ঠানে সকল প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র্যাব ও কর্ণফুলী থানা পুলিশের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর সহায়তায় এই অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারি রোধে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থ রক্ষায় আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...