Logo Logo

কল না ধরায় ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে অধ্যাপককে হাতুড়ি পেটা


Splash Image

ছবিতে আহত মো. রফিকুল ইসলাম ও ইনসেটে অভিযুক্ত রাসেল শেখ।

মোবাইলের কল না ধরায় ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে এক সহকারী অধ্যাপককে দিনে-দুপুরে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না বলে ভুক্তভোগী শিক্ষক দাবি করেছেন।


বিজ্ঞাপন


আহত মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫) বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক। তিনি বর্তমানে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ ও ৭ এপ্রিল অনলাইন ট্রেনিং ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে বড়বাড়িয়া গ্রামের রাসেল শেখের ফোন রিসিভ করতে পারেননি রফিকুল ইসলাম। এর জের ধরে ৮ এপ্রিল দুপুরে রাসেল শেখ মাদ্রাসায় প্রবেশ করে ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে তাকে হুমকি দেন এবং হঠাৎ হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চিতলমারী ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত রফিকুল ইসলাম বলেন, "মাদ্রাসায় এসে আমাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে চিতলমারী থানায় মামলা করার পরও রাসেল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অজ্ঞাত কারণে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না।"

এদিকে অভিযুক্ত রাসেল শেখ নিজেকে যুবদলের সাথে সম্পৃক্ত দাবি করে অভিযোগ করেন, সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও তার শ্বশুর মাছুদুর রহমান মাদ্রাসায় চাকরি দেওয়ার নাম করে ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। দীর্ঘদিন পার হলেও টাকা বা চাকরি কোনোটিই না দেওয়ায় এই বিরোধের সৃষ্টি। তবে হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, সহকারী অধ্যাপককে মারধরের ঘটনায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রাসেল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে—এমন কোনো তথ্য পুলিশের কাছে নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...