বিজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সাথে সাথেই টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১টি উপজেলার মোট ২২ হাজার ৬৫ জন প্রান্তিক কৃষকের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সুবিধা পৌঁছে যায়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল এই কৃষক কার্ড। এর আগে বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড এবং দেশব্যাপী খালখনন কর্মসূচি চালু করেছে। আজকের এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সরকার তাদের আরেকটি বড় প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করল।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে টাঙ্গাইলের ১৫ জন প্রান্তিক চাষির মাঝে কৃষক কার্ড ও বিভিন্ন গাছের চারা বিতরণ করেন। কার্ড ও চারা গ্রহণকারী কৃষকরা হলেন— আবু কায়সার, রোমান, শাহনুর আলম, শাহ আলম, জুলেখা আখতার, নাসিমা খানম সুমনা, শিল্পী, আমেনা বেগম, নবাব আলী, মোহাম্মদ আলী, কবির হোসেন, মনোয়ারা আখতার, শামীমা আখতার, লায়লা বেগম ও তাহমিনা।
এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে সমবেত কিষাণ-কিষাণিরা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর পবিত্র কোরআন, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মূল কার্যক্রম শুরু হয়।
কৃষক কার্ড বিতরণের এই উদ্যোগটি দেশের কৃষিখাতের আধুনিকায়ন এবং প্রান্তিক পর্যায়ে সরাসরি রাষ্ট্রীয় সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকরা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি সরকারি অনুদান ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ নিশ্চিত করতে পারবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...