বিজ্ঞাপন
নেদারল্যান্ডসভিত্তিক দাতা সংস্থা কার্ক ইন এক্টি (কিয়া)-এর সহায়তায় 'নিরাপদ জীবন জীবিকা' প্রকল্পের আওতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়। প্রতিটি প্যাকেজে ছাত্রীদের জন্য ৫ পিস পুনরায় ব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন, ১ বোতল স্যাভলন, ১টি গোসলের সাবান এবং ৫০০ গ্রাম ডিটারজেন্ট পাউডার প্রদান করা হয়েছে।এসব সামগ্রী বিতরণের আগে কিশোরীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হামিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিয়া বাংলাদেশ-এর পোর্টফোলিও কো-অর্ডিনেটর মিসেস ম্যাটিল্ডা টিনা বৈদ্য।
প্রকল্পের অর্গানাইজার এলবাট শোভন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মাহফুজা বেগম। এছাড়াও প্রকল্প ব্যবস্থাপক বাসুদেব গুহ, প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর রিগবী সেতু গোমেজ, ইউপি সহকারী সচিব সগীর মাতুব্বর ও মহিপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহতাব হাওলাদারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিসেস ম্যাটিল্ডা টিনা বৈদ্য বলেন, ‘কিশোরী বয়সে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় অসচেতনতা ও উপকরণের অভাবে ছাত্রীরা নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগে। আমাদের লক্ষ্য হলো তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী সুরক্ষা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া, যাতে তাদের শিক্ষা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত না হয়।’
উপকারভোগী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহফুজা আক্তার মনি অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আগে এসব বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলতে দ্বিধা করতাম। আজকের আলোচনা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। মানসম্মত স্যানিটারি সামগ্রী পাওয়ায় আমাদের অনেক সুবিধা হলো, এখন থেকে পিরিয়ড চলাকালীন স্কুল কামাই দিতে হবে না।’
আরেক শিক্ষার্থী দিপালী বলেন, ‘সাবান ও স্যাভলনসহ হাইজিন কিটগুলো আমাদের স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে সাহায্য করবে। এমন আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।’
উল্লেখ্য, সিআরএসএস তাদের নিরাপদ জীবন জীবিকা প্রকল্পের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...