বিজ্ঞাপন
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (উপসচিব) মো. আরিফ-উজ-জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের আওতাধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বর্তমান অগ্রগতি ও কাজের মান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
জ্বালানি পরিস্থিতির বিষয়ে আলোকপাত করে জেলা প্রশাসক বলেন, “দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে, তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে আরও মাসখানেক সময় লাগতে পারে।” এই সময়ের মধ্যে সকলকে ধৈর্য ধরে মানিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি জরুরি সেবা যেমন—অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশের গাড়ি, বিদ্যুৎ বিভাগ ও সরকারি দপ্তরের গাড়ির পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রাপ্তি সাপেক্ষে জ্বালানি প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতানের সঞ্চালনায় সভায় মুক্ত আলোচনায় প্রতিটি দপ্তরের প্রধানগণ নিজ নিজ দপ্তরের বাস্তবায়িত ও চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলোর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের উপ-পরিচালক ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ মো. ফারুক, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমান।
এছাড়াও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, পরিবার পরিকল্পনা, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, ইসলামী ফাউন্ডেশন, গণপূর্ত বিভাগ, এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, ওজোপাডিকো এবং ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়া, কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ (ইউএনও) এবং মানবাধিকার ও গণমাধ্যমকর্মী কে এম সাইফুর রহমানসহ উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...