বিজ্ঞাপন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংগৃহীত হিসাব অনুযায়ী এই ঋণের স্থিতি নির্ধারিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সরকারের পক্ষে নিয়মিতভাবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
ঋণ পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন যে, প্রতি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ বাবদ সম্ভাব্য ব্যয়ের একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয়। সেই প্রক্ষেপণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয় এবং সারা বছর সুনির্দিষ্ট পরিশোধ সূচি অনুসরণ করে বাজেট থেকেই এই ঋণ পরিশোধ করা হচ্ছে।
বর্তমান সরকারের আমলে ঋণ পরিশোধের অগ্রগতি তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার ঋণ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও তিনি অধিবেশনে উল্লেখ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...