বিজ্ঞাপন
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনস মাঠে এই কার্যক্রম শুরু হয়।
নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম দিনে প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে আজ শারীরিক সক্ষমতা যাচাই বা Physical Endurance Test (PET) অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এই কার্যক্রমে প্রার্থীদের ২০০ মিটার দৌড়, পুশ-আপ, লং জাম্প ও হাই জাম্প— এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে হয়েছে। প্রতিটি ধাপে প্রার্থীদের শারীরিক দক্ষতা ও সহনশীলতা অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও গোপালগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ পরীক্ষা কার্যক্রম চলাকালীন চাকরি প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যোগ্য ও মেধাবীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। অত্যন্ত স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত পন্থায় এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।"
পুলিশ সুপার প্রার্থীদের কোনো প্রকার দালাল বা প্রতারক চক্রের প্রলোভনে পা না দেওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করেন। তিনি আরও জানান, যারা শারীরিক সক্ষমতার সকল ইভেন্টে যোগ্য বিবেচিত হবে এবং পরবর্তী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় মেধার পরিচয় দেবে, শুধুমাত্র তারাই চূড়ান্তভাবে কনস্টেবল পদে নিয়োগ পাবে।
আজকের পরীক্ষা শেষে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী ইভেন্টের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় পুনরায় পুলিশ লাইনস মাঠে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নিয়োগ কার্যক্রম চলাকালীন পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ ছাড়াও নিয়োগ বোর্ডের সদস্যগণ, বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রভাবমুক্ত ও সুশৃঙ্খল রাখতে পুলিশ লাইনস এলাকায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...