বিজ্ঞাপন
তবে স্থানীয় ভূমি প্রশাসন জানিয়েছে, আদালতের আদেশ অনুযায়ী বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে কোনো পক্ষকেই কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না।
মামলার নথি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিরখাড়া বাজারে ১২৩৭ নম্বর দাগের ২ শতাংশ জমি এসএ এবং বিআরএস রেকর্ড অনুযায়ী মো. সাইদুর রহমান মিয়ার মালিকানাধীন।
অভিযোগ রয়েছে, একই এলাকার হাশেম মাতুব্বরের ছেলে মান্নান মাতুব্বর ও ফজল শেখের ছেলে শহীদুল ইসলাম গংরা প্রভাব খাটিয়ে ওই জমি দখলের চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে সাইদুর রহমান মিয়া মাদারীপুর আদালতে মালিকানা স্বত্ব দাবি ও জবর দখল রোধে মামলা দায়ের করেন। আদালত ওই জমিতে স্থিতাবস্থা জারি করলেও তা অমান্য করেই দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়।
ভুক্তভোগী মো. সাইদুর রহমান মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পৈত্রিক ও রেকর্ডীয় সূত্রে এই জমি আমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি। হঠাৎ স্থানীয় কয়েকজন মিলে আমার জায়গা দখল করে ঘর তুলেছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তারা তা মানছে না এবং বর্তমানে দোকানটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করছে। আমি এই অন্যায়ের সঠিক বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে বিবাদী শহীদুল ইসলাম বলেন, সাইদুর রহমান মিয়া আদালতে মামলা করেছেন। আদালত যদি শেষ পর্যন্ত তার পক্ষে রায় দেয়, তবে আমরা জমি ছেড়ে দেব।
এ বিষয়ে শিরখাড়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক জানান, বিবাদমান জমিটি তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উভয় পক্ষকেই কোনো ধরনের বিরোধে না জড়াতে নিষেধ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী সেখানে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিবাদী শহীদুল ইসলামকে বর্তমানে নির্মিত ওই দোকান ঘরটি ব্যবহার না করার জন্য মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে লিখিত আদেশ প্রদান করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...