বিজ্ঞাপন
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬:৩০ ঘটিকার সময় ভুক্তভোগী শিশুটি বাড়ির পাশে অন্য শিশুদের সাথে খেলা করছিল। এসময় অভিযুক্ত জুনায়েদ হোসেন শিশুটিকে আম খাওয়ানোর কথা বলে প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় জনৈক শরিফুল ইসলামের বাগানে নিয়ে যায়।
বেশ কিছুক্ষণ পর শিশুটির দাদি তাকে খুঁজতে বের হলে অন্য শিশুদের মারফত জানতে পারেন যে, জুনায়েদ তাকে বাগানের দিকে নিয়ে গেছে। দাদি বাগানের ভেতর গিয়ে খুঁজতে থাকলে একপর্যায়ে শিশুটির কান্নার শব্দ পান। তখন অভিযুক্ত জুনায়েদ শিশুটির মুখ চেপে ধরে আত্মগোপনের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে দাদি কাছে চলে এলে অভিযুক্ত কিশোর শিশুটিকে ফেলে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
উদ্ধারের পর শিশুটি তার পরিবারকে জানায়, জুনায়েদ তাকে বাগানে নিয়ে জোরপূর্বক পোশাক খুলে ফেলে এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। শিশুটি চিৎকার করতে চাইলে তার গলা চেপে ধরা হয়। ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুর পিতা মোঃ আব্দুল্লাহ অভিযোগে উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত জুনায়েদ গত ৬ মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে তার মেয়েকে ডেকে নিয়ে মারধর ও উত্ত্যক্ত করে আসছিল। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুর রহমান অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...