বিজ্ঞাপন
বুধবার (২০ মে) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চন্দনা নদীর তীরবর্তী ওই এলাকায় পরিচালিত এক মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চরগোহালবাড়িয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু ও মাটি বিক্রি করে আসছিল। এতে নদীর পাড় ধসে পড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ ও ফসলি জমি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে।
বুধবার দুপুরে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মনোহরদী উপজেলার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া ওই এলাকায় আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বালু ও মাটি কাটার সত্যতা হাতেনাতে মেলায় বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী অপরাধী চাঁন মিয়াকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া বলেন, "অবৈধভাবে নদীর পাড় কেটে বালু বা মাটি উত্তোলন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এর ফলে নদীভাঙন ও পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়। পরিবেশ ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...