বিজ্ঞাপন
মাছ শিকারি সমির মাঝি উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের শুল্লকিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
আড়তদার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৬ মে) হাতিয়ার সূখচর ইউনিয়নের পশ্চিম পাশের মেঘনা নদীতে ট্রলার নিয়ে মাছ ধরতে যান সমির মাঝি ও তাঁর সহকারীরা। নদীতে কোরাল জাল ফেলার পর দুপুরের দিকে টান দিতেই ভারী কিছুর অস্তিত্ব টের পান জেলেরা। জাল ওপরে তুলতেই দেখা মেলে বিশাল আকৃতির দুটি চোখ ধাঁধানো কোরাল মাছের।
বিকেলের দিকে জেলেরা ট্রলারে করে মাছ দুটি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চেয়ারম্যান ঘাট এলাকার ‘সুমি ফিস এজেন্সি’ আড়তে নিয়ে আসেন।
সুমি ফিস এজেন্সির মালিক নাজিম মোল্লা জানান, দুপুরের পর মাছ দুটি আড়তে আনার পর পরই উৎসুক জনতার ঢল নামে। এরপর প্রকাশ্য ডাকে (নিলামে) তোলা হলে স্থানীয় পাইকারি মাছ ব্যবসায়ীদের মধ্যে রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
নিলাম শেষে কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে চেয়ারম্যান ঘাটেরই এক খুচরা মাছ ব্যবসায়ী মাছ দুটি কিনে নেন। পরে ওজন দিয়ে দেখা যায়, কোরাল দুটির মোট ওজন ৩৩ কেজি। সেই হিসাবে মাছ দুটির চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ৪৬ হাজার ২০০ টাকা।
এদিকে মেঘনা নদীর এত বড় কোরাল মাছ ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে চেয়ারম্যান ঘাটে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ক্রেতাদের ভিড় জমে যায়। অনেকেই বিশালাকার মাছ দুটির সাথে সেলফি তোলেন এবং ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেন।
উপকূলীয় জেলেরা বলছেন, মেঘনা নদীতে ইলিশের পাশাপাশি ইদানীং বড় বড় কোরাল ও পোয়া মাছ ধরা পড়ছে, যা জেলেদের মুখে চওড়া হাসি ফোটাচ্ছে। সমির মাঝির এই সাফল্যে খুশি অন্যান্য মৎস্যজীবীরাও।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...