বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালীস্থ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ গ্রন্থাগার-কাম-স্মৃতি জাদুঘর অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় সকল দপ্তর, সংস্থা ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে একযোগে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লা, ফরিদপুরের police সুপার মো. নজরুল ইসলাম, ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বাকাইদ হোসেন, ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, ফরিদপুর জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা এবং মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওশনা জাহান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে জেলা পরিষদ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম যখন ক্ষমতায় আসেন তখন থেকেই তিনি বৃক্ষরোপণ ও খাল খননের কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি প্রতিটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন এবং ফরিদপুরে সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। মাননীয় সংসদ সদস্যের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলার সাবেক পৌর যুবদলের সভাপতি ও ফরিদপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তৈয়বুর রহমান মাসুদসহ ফরিদপুর জেলা বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ সময় স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে কামারখালী বাজার থেকে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি জাদুঘর পর্যন্ত একটি সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নের দাবি জানানো হয়। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আশ্বাস প্রদান করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গণসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...