বিজ্ঞাপন
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিংয়ে উত্তীর্ণ গোপালগঞ্জ জেলার প্রার্থীরা প্রথম দিনের এই পরীক্ষায় অংশ নেন। নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহর সরাসরি তত্ত্বাবধানে পুরো কার্যক্রম স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হয়।
শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাই শেষে প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উদ্দেশে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক। কোনো ধরনের দালালচক্র বা প্রতারকের খপ্পরে না পড়ার এবং কোনো প্রকার অবৈধ পন্থার আশ্রয় না নেওয়ার জন্য তিনি প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, আপনাদের মেধা ও শারীরিক যোগ্যতাই পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে। কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়াই যোগ্যতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
নিয়োগ কার্যক্রমে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস ডিভিশন) মো. শাহজাহান হোসেন, পিপিএম এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (আইসিটি) শেখ মাহমুদুল ইসলাম। নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. সোহেল রানা এবং মাদারীপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাঈদ নাসিরুল্লাহ, পিপিএম। এ ছাড়া গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা মাঠে উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম দিনের কার্যক্রম শেষে প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৮টায় পরবর্তী মাঠ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়ের আগে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...