ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
মার্কিন সংবাদমাদ্যম অ্যাক্সিওস ও ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর আল-জাজিরার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী যুদ্ধাবসান চুক্তির বা সমঝোতা স্মারকের বিভিন্ন ধারা- বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত নিয়মাবলীর ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যার কারণে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছিল। এই সংঘাতের জেরে দুই দেশের মধ্যকার চলমান আলোচনা পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছিল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষই সাময়িকভাবে পিছু হটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একজন মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র আপাতত সব ধরনের সরাসরি সামরিক হামলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরেক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “সমঝোতা স্মারকের সব বিষয়ের ওপর কারিগরি আলোচনা অব্যাহত থাকবে। উভয় পক্ষই আপাতত যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে এবং এই রুটে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো পূর্বের ন্যায় মুক্তভাবে চলাচল করতে পারবে।”
এর আগে গত সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানি প্রতিনিধি দলের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছিল। সেখানে সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল সমন্বয়ের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মধ্যে একটি সরাসরি ‘হটলাইন’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু গত শনিবার পর্যন্ত সেই হটলাইনটি চালু না হওয়ায় ইরান আবারো তাদের জলসীমায় চলাচলকারী জাহাজগুলোকে তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় করার তাগিদ দিতে থাকে, যা নতুন করে জটিলতা তৈরি করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবারের (৩০ জুন) বৈঠকটি মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালিতে সাম্প্রতিক আকস্মিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে শেষ মুহূর্তে বৈঠকের স্থান পরিবর্তন করে কাতারের দোহায় নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈঠকের মূল এজেন্ডাও পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরিয়ে হরমুজ প্রণালির সংকট সমাধানের দিকে আনা হয়েছে।
তবে, এই প্রতিবেদনগুলোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন বা তেহরান কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...