বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের সামনে একটি পিকআপ ভ্যানে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের নবম ও দশম শ্রেণির ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ বিষয়ের সরকারি বই বিক্রি করতে দেখা যায়।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে কাগজপত্রে বেশি বই বরাদ্দ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই অতিরিক্ত বইগুলো শিক্ষার্থীদের বিতরণ না করে গোপনে বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সূর্যকান্ত জানকি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বই বিক্রির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “অল্প কিছু অতিরিক্ত বই রয়েছে, সেগুলো বিক্রি করা হচ্ছে।” তবে সরকারি বই বিক্রির ক্ষেত্রে তাঁর প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন রয়েছে কি না কিংবা এটি বিধিসম্মত কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
সাধারণভাবে সরকারি পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণের জন্য সরবরাহ করা হয়। কোনো প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত বা অব্যবহৃত বই থাকলে সেগুলোর ব্যবস্থাপনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিস বা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী করার বিধান রয়েছে। একজন প্রধান শিক্ষক নিজের সিদ্ধান্তে সরকারি সম্পদ এভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করার ক্ষমতা রাখেন কি না, তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...