Logo Logo

হাতিয়ায় নারীসহ ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আটক, অতঃপর...


Splash Image

অভিযুক্ত যুবদল নেতা আশ্রাফ উদ্দিন।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারীসহ উপজেলা যুবদলের এক নেতাকে স্থানীয়রা আটক করার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে রাতেই উপজেলা বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতাদের হস্তক্ষেপে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।


বিজ্ঞাপন


আটক হওয়া যুবদল নেতার নাম আশ্রাফ উদ্দিন (৪০)। তিনি উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের ইসমাইল মাঝির ছেলে।

বুধবার (১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ল্যাংড়া তেমুনী এলাকার একটি ঘর থেকে এক নারীসহ তাকে আটক করে স্থানীয় এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর সদর উপজেলার এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে রাত পৌনে ১০টার দিকে আশ্রাফ উদ্দিন জাহাজমারা ইউনিয়নের ল্যাংড়া তেমুনী এলাকার একটি ঘরে প্রবেশ করেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা ওই ঘর থেকে নারীসহ আশ্রাফকে আটক করে বাইরে নিয়ে আসে। পরে স্থানীয়রা তাদের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে রাত ১১টার দিকে যুবদল নেতা আশ্রাফ ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আশ্রাফ উদ্দিন। তিনি বলেন, “আমি সন্ধ্যার দিকে ওছখালী বাজারে একটি সালিসে যাই। সালিস থেকে ফেরার পথে জাহাজমারা ইউনিয়নের মেঘ ফ্যাশন এলাকায় কয়েকজন যুবক আমাকে আটক করে। এরপর তারা আমাকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে এক নারীকে আমার পাশে এনে ছবি তোলে। যারা আমাকে উদ্ধার করেছে, তারা জানে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো আমি কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি।”

এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াছ বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের কাছ থেকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।”

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...