বিজ্ঞাপন
স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা শাপলা প্রতিদিন খুলনা জেলার ফকিরহাট, মোল্লাহাট, চিতলমারীসহ রাজধানীর কাওরান বাজারে পাঠানো হচ্ছে। এতে শাপলা সংগ্রহকারী ও ব্যবসায়ীরা মৌসুমি কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন।
স্থানীয় পাইকার বাপ্পি বিশ্বাস জানান, তিনি প্রতি মুটো শাপলা ২ টাকা দরে কিনে ৩ টাকা দরে বিক্রি করেন। এতে প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভের সুযোগ হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শাপলা শুধু সুস্বাদু সবজিই নয়, এটি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। এতে খাদ্য আঁশ (ফাইবার) রয়েছে, যা হজমে সহায়তা করে। এছাড়া ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। কিছু পরিমাণে ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও আয়রনের মতো খনিজ উপাদানও রয়েছে। ক্যালোরি কম হওয়ায় শাপলা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাদ্য হিসেবেও বিবেচিত হয়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শাপলা খেলে হজমশক্তি উন্নত হতে পারে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে, শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে।
স্থানীয়দের আশা, শাপলার বাজার আরও সম্প্রসারিত হলে গোপালগঞ্জের বর্ষাকালীন এই প্রাকৃতিক সম্পদ আরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়ের উৎস হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...