Logo Logo

পঞ্চগড়ে আবেদন গ্রহন না করার অভিযোগ সহকারী পরিচালক আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে


Splash Image

মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পাথর ভাঙা মেশিনের শব্দ দূষণ ও কংক্রিট ব্লক কারখানার ভাইব্রেশনের আবেদন গ্রহন না করার অভিযোগ উঠেছে পঞ্চগড় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে।


বিজ্ঞাপন


পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের সর্দারপাড়া গ্রামের কবিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি এই অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তেঁতুলিয়া উপজেলার ৬নং ভজনপুর ইউনিয়নের সর্দারপাড়া (সেন্টার) নামক গ্রামের মহাসড়কের ঠিক কাছেই অবস্থিত মেসার্স রফিকুল ট্রেডার্স নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পাথরভাঙা ও আদর্শ কংক্রিট ব্লক কারখানা দীর্ঘদিন যাবৎ শব্দ দূষণ ও ভাইব্রেশন করে আসছেন। ব্লক তৈরির ভাইব্রেশনে কবিরুলের বসতবাড়ীর এক কক্ষের ওয়াল ফেটে বসবাসের অনুপযুক্ত হওয়ায় ফেলে রেখেছেন। এদিকে পাথরভাঙা মেশিনের শব্দ দুষণে কবিরুল সহ এলাকার কয়েকটি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী এবং মসজিদের মুসল্লিদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে কবিরুল ইসলাম চলতি বছরের গত ১১ মে ও ১০ জুন পঞ্চগড় পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন করতে গিয়ে নিরুপায় হয়ে ফিরে আসেন।

কবিরুল ইসলাম বলেন, তিনি প্রথম যেদিন পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন করতে যায় সেদিন সহকারী পরিচালক প্রশিক্ষণে জেলার বাহিরে আছেন বলে তার হোয়াটসঅ্যাপে এক কর্মচারী আবেদনটি পাঠিয়ে দেয়। ওই কর্মচারী বলেন তার স্যার ছাড়া তিনি আবেদন গ্রহন করতে পারবেনা। এরপর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর পর কোনো উত্তর না পেয়ে ওই কর্মচারী কবিরুল ইসলামকে সপ্তাহ খানিক পর তার স্যারের খোঁজখবর নিয়ে যাইতে বলেন। পরে কবিরুল ইসলাম দ্বিতীয় বারের মতো আবেদন দাখিল করতে গেলে সহকারী পরিচালক গ্রহন না করে মামলা করতে বলেন।

সচেতন মহল জানান, স্টোন ক্রাশিং মেশিনের ধুলাবালির কারণে প্রতিনিয়ত যে বায়ু দূষণ ও শব্দ দূষণ হচ্ছে এসব দেখার দায়িত্ব পরিবেশ অধিদপ্তরের কিন্তু তারা দেখেও না দেখার ভান করে অফিসে বসে থাকেন। যেসব স্টোন ক্রাশিং মেশিন ও কারখানার পরিবেশ ছাড়পত্র নেই, চলছে কিভাবে? এমটিই প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে।

এ বিষয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের আলোচনা সভায় সাংবাদিক তরিকুল প্রধান অতিথিকে অভিযোগ করে বলেন, শব্দ দূষণের কারণে কবিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বরাবরে একটি আবেদন করতে গেলে প্রত্যাখ্যান করা হয়। এমন গুরুত্বর অভিযোগে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন সহকারী পরিচালক আব্দুল গফুরের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো আবেদন প্রত্যাখ্যান করেনি। এমন জবাবে সাংবাদিক তরিকুল রেকর্ড আর অফিসের সিসি ফুটেজের কথা তুললে কবিরুলের সেই আবেদনটি অফিসে নিয়ে আসতে বলা হয়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...