Logo Logo

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ২০০ রিং জাল জব্দ


Splash Image

মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন, নদী-খাল-বিলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং অবৈধ রিং জালের ব্যবহার বন্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর। অভিযানে ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ২০০টি রিং জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় বাজারে নিষিদ্ধ জাল বিক্রি ও সংরক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ রিং জালের উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচিও ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ জাল বিক্রি বা ব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযান চলাকালে জনসচেতনতামূলক বক্তব্যে সামাজিক সংগঠন ‘তরী বাংলাদেশ’-এর আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, রিং জালের মতো অবৈধ জাল ব্যবহারের ফলে ছোট মাছ ও মাছের পোনা নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে। এর কারণে নদী, খাল ও বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি মাছ ও জলজ সম্পদ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি আইন মেনে চলার আহ্বান জানান।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য হানিফ আহমেদ, জেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। এ সময় হানিফ আহমেদ অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানান এবং জনসচেতনতা তৈরিতে সামাজিক সংগঠন ‘তরী বাংলাদেশ’-এর ভূমিকারও প্রশংসা করেন।

মৎস্য অধিদপ্তরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে অবৈধ জালের ব্যবহার কমবে এবং দেশের নদী-খাল-বিলের জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...