Logo Logo

রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় প্রাইভেটকারে যাত্রী তুলে অপহরণ, গ্রেপ্তার ২


Splash Image

রাজধানীর খিলক্ষেতের ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকারে যাত্রী তুলে মুক্তিপণ আদায় করা একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে অপহরণের ঘটনার সূত্র ধরে এই চক্রটি শনাক্ত হয়।


বিজ্ঞাপন


রাজধানীর খিলক্ষেতের ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকারে যাত্রী তুলে মুক্তিপণ আদায় করা একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে অপহরণের ঘটনার সূত্র ধরে এই চক্রটি শনাক্ত হয়।

রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে খিলক্ষেত থানায় আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ।

গ্রেপ্তারেরা হলেন- মো. সুবেদ রানা (৩১) এবং মো. মিরন ওরফে সুজন (৫৪)।

ডিসি জানান, এক ব্যাংক কর্মকর্তার করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে খিলক্ষেত থানার একটি অভিযানিক দল রাজধানীর মিরপুর-২ এলাকা থেকে মো. সুবেদ রানাকে গ্রেপ্তার করে।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার ভোর রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সিগঞ্জ সদর থানাধীন মুক্তারপুর এলাকা থেকে মো. মিরন ওরফে সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুরের মনিপুর এলাকা থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়।

খিলক্ষেত থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন সকালে সাড়ে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজ যাওয়ার উদ্দেশে কুড়িল বিশ্বরোডস্থ বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন জনৈক ব্যাংকার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। তখন অপহরণকারী ওই চক্রটি কাঞ্চন ব্রিজ যাওয়ার কথা বলে ওই ব্যাংকারকে তাদের প্রাইভেট কারের পেছনের সিটে উঠিয়ে নেয়।

গাড়িতে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে দুইজন ওই ব্যাংকারের হাত পেছনে নিয়ে বেঁধে ফেলে এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও একটি ভিভো ফোন ছিনিয়ে নেয়। পাশাপাশি তাকে মারধর করে মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবি করে এবং গাড়িটি ৩০০ ফিট এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাতে থাকে।

একপর্যায়ে ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান তার কর্মস্থলের সহকর্মী মো. রবিউল ইসলামের মাধ্যমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজের নিচে ৫ লাখ টাকা নিয়ে গ্রেপ্তার মো. সুবেদ রানাকে দেন। এরপর ওই অপহরণকারী চক্র সোয়া ১১টার দিকে কামরুজ্জামানকে ৩০০ ফিটের নিলা মার্কেট গোল চত্বরের পাশে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পরদিন খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন ওই ব্যাংকার।

ডিসি এম তানভীর আহমেদ জানান, গ্রেপ্তার মিরনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ৯টি মামলা রয়েছে এবং সুবেদ রানার বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে। এই চক্রটি শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় একই কৌশলে অপরাধ চালিয়ে আসছিল।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...