বিজ্ঞাপন
নুর নবী হোসেন (৩০),পিতা-আব্দুর রব,মাতা-আঞ্জু বেগম,নিজ কাচিয়া,মনসাদ বাড়ী,কাচিয়া ইউপি, থানা-ভোলা সদর,জেলা-ভোলা এ/পি-মহিপাল ফ্লাইওভার ব্রিজের নিচে (ভাসমান),ফেনী পৌরসভা,থানা ও জেলা ফেনী একজন দিনমজুর ও ভবঘুরে স্বভাবে লোক।
ভিকটিম ভোলার বাসিন্দা,নদী ভাঙ্গন পরবর্তী তাহারা পারিবারিকভাবে ঢাকায় বসবাস শুরু করলে ভিকটিম নুর নবী হোসেন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ফেনীতে ভাসমান অবস্থায় বসবাস শুরু করেন। দাগনভূঁঞা থানাধীন মৃত বেলাল হোসেনের কন্যা বিবি ফাতেমা এর সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দুইজনেই প্রায় সময় রাস্তাঘাটে বোতল কুড়িয়ে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ সহ যখন যা কাজ পেতেন তাই করে সংসার চালাতেন। দিন শেষে রাত্রীযাপনের জন্য মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ঘুমাতেন।
ঘটনার দিন অর্থ্যাৎ গত ২৬ইং তারিখ ভোর অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম নুর নবী হোসেন ও তাহার স্ত্রী বিবি ফাতেমা ঘুমিয়ে থাকাবস্থায় ধৃত আসামী মোঃশাহ পরান প্রঃফয়সাল প্রঃসাদ্দাম হোসেন (৪০),পিতা-মৃত শাহ আলম,মাতা-মৃত সাজেদা বেগম,সাং-দক্ষিণ নেওয়াজপুর,২নং ওয়ার্ড,৮নং জয়লস্কর ইউপি, থানা-দাগনভূঁঞা,এ/পি-মহিপাল ফ্লাইওভার ব্রিজের নিচে (ভাসমান),১৩নং ওয়ার্ড,ফেনী পৌরসভা,থানা ও জেলা-ফেনী ভিকটিমের স্ত্রী বিবি ফাতেমাকে শরীরের বিভিন্নস্থানে স্পর্শ করিয়া উত্ত্যক্ত করাকালে ভিকটিম নুর নবী হোসেনের ঘুম ভেঙ্গে যায়।
একপর্যায়ে উভয়ইয়ের মধ্যে ঝগড়াঝাটি শুরু হয়।ভিকটিম নুর নবী হোসেন রাগান্বিত হয়ে আসামী মোঃশাহ পরান প্রঃ ফয়সাল এর নাকে ঘুষি মারলে আসামী শাহপরানও ভিকটিমকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে আসামী মোঃ শাহপরান প্রঃ ফয়সাল তাহার সাথে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে ভিকটিম নুর নবী হোসেন এর পেটের ০২ পাশে ছুরিকাঘাত করলে ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
ভিকটিমের স্ত্রী স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভিকটিমকে প্রথমে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসা জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ঢাকায় যাওয়ার পথিমধ্যে ফেনী পৌরসভাস্থ হাজারী রোডের মাথায় সকাল অনুমান ০৯.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম নুর নবী হোসেন নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাহাকে পুনরায় ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে ইং ২৬/০৭/২০২৬ তারিখ সকাল ০৯.৪৫ ঘটিকার সময় কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিম নুর নবী হোসেনকে মৃত ঘোষনা করেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অত্র থানায় পলাতক আসামী মোঃ শাহ পরান প্রঃ ফয়সাল প্রঃ সাদ্দাম হোসেন (৪০) এর বিরুদ্ধে ভিকটিমের স্ত্রী বিবি ফাতেমা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করিলে ফেনী মডেল থানার মামলা নং-৫৫,ধারা-৩০২ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
মামলা রুজু পরবর্তী পুলিশ সুপার,ফেনী মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার,সোনাগাজী সার্কেল,ফেনী এবং দাগনভূঞা থানা পুলিশের সহায়তায় ফেনী মডেল থানার একটি টিম অভিযান পরিচালনা করিয়া ২৭ তারিখ দিবাগত রাত অনুমান ০২.০০ ঘটিকার সময় দাগনভূঁঞা থানা এলাকা হতে পলাতক আসামী মোঃশাহ পরান প্রঃ ফয়সাল প্রঃ সাদ্দাম হোসেন (৪০)'কে গ্রেফতার করে। আসামীর বিরুদ্ধে চুরি,ডাকাতি, মাদক সহ মোট ০৭টি মামলা রহিয়াছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...