বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র ১৫০ গজ দৈর্ঘ্যের এই সড়কটির অধিকাংশ স্থানজুড়ে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। প্রবল বর্ষণে গর্তগুলোতে পানি জমে কাঁদা-পানিতে একাকার হয়ে পড়ে। ফলে পুরো বর্ষা মৌসুমে সড়কটি চলাচলের জন্য একেবারেই অনুপযোগী থাকে এবং ছোট-বড় দুর্ঘটনা অহরহ ঘটছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির দু'পাশে রয়েছে বেশ কিছু আবাসিক ভবন, একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, এনজিও কার্যালয়, ডিলার পয়েন্ট, গ্রামীণ ব্যাংক, সুপেয় পানির প্লান্ট, ব্যবসায়ীদের গুদামঘর এবং একটি মুরগির হাট। সড়কটির বেহাল দশার কারণে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী জি এম রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকেও সড়কটিতে কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বারবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অপর ব্যবসায়ী খোকন সরদার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা এই দুর্ভোগ পোহালেও টেকসই সংস্কারের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।
সড়কটির নাজুক অবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে কপিলমুনি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ আশেপাশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বৃষ্টিবাদলের দিনে শিক্ষার্থীরা সময়মতো শ্রেণিকক্ষে পৌঁছাতে পারে না।
কপিলমুনি কলেজের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থী মোঃ রোমান সরদার বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত ও সময়মতো ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সড়কটি দ্রুত মেরামত করা অত্যন্ত জরুরি।
এ বিষয়ে কপিলমুনি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউনুস আলী মোড়ল সড়কের বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে জানান, সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে এই মুহূর্তে সংস্কার কাজের জন্য কোনো বাজেট নেই, নতুন বরাদ্দ পেলে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
এমতাবস্থায়, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কপিলমুনির ব্যস্ততম এই সড়কটি জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য খুলনা-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যের আশু হস্তক্ষেপ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...