বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে অনুসন্ধানের অগ্রগতি নিশ্চিত করে বাপেক্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ড্রিলিং) ও ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, মঙ্গলবার দুপুর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূপ খননের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে নবখননকৃত এই কূপটি অবস্থিত। তবে একই ভূগর্ভস্থ গ্যাস ফিল্ড কাঠামোর অংশ হওয়ায় কৌশলগতভাবে এর নামকরণ করা হয়েছে ‘সুন্দরপুর-৪’। এর পূর্বে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর এলাকায় সুন্দরপুর গ্যাস ফিল্ডের ১, ২ ও ৩ নম্বর কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছিল। বর্তমান ‘সুন্দরপুর-৪’ কূপটি পূর্ববর্তী ২ নম্বর কূপ থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত হলেও ভৌগোলিক রিজার্ভার এক হওয়ায় এই অভিন্ন নামকরণ করা হয়।
কারিগরি নকশা ও নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, কূপটির নির্ধারিত গভীরতা ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মিটার। ভূগর্ভের প্রায় ১ হাজার ৩৬১ মিটার গভীরে কাঙ্ক্ষিত গ্যাসের স্তর রয়েছে বলে কারিগরি জরিপে দেখা গেছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে খননপ্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাপেক্স। পরবর্তীতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) সম্পাদন করতে আরও ১৫ থেকে ২০ দিন সময় প্রয়োজন হবে; ফলে আগামী আড়াই মাসের মধ্যে কূপটির প্রকৃত সক্ষমতা সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্য জানা যাবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পর্যায়ে গ্যাসের মোট মজুত নিশ্চিতভাবে পরিমাপ করা সম্ভব না হলেও পার্শ্ববর্তী কূপগুলোর উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বাপেক্স ধারণা করছে, এখান থেকে দৈনিক গড়ে ৫ থেকে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় চাহিদায় যোগ হতে পারে।
বাপেক্স থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামোগত প্রস্তুতি শেষে গত এপ্রিলের শেষভাগে নির্ধারিত স্থানে রিগ স্থাপন করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে মঙ্গলবার থেকে সরাসরি ড্রিলিং কাজ শুরু হয়েছে। এই কূপ খনন সফল রূপ নিলে তা দেশীয় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ও জাতীয় গ্রিডে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...