বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একই দিন দুপুরের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে, গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়ন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া (৫০) উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মৃত আব্দুল হক ভূঁইয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর আব্দুল লতিফ গত প্রায় দুই বছর ধরে নিজের মেয়েকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত। এরপর ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত একাধিকবার ভিকটিমকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে মেয়ে বিষয়টি তার চাচা ও জেঠাদের জানালে, গত মঙ্গলবার ২৮ জুলাই রাতে সেনবাগ উপজেলা জামায়াত নেতা মাওলানা হানিফ ও ডুমুরুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মজিবুল হক টিটুর নেতৃত্বে ভিকটিমের ঘরে একটি গ্রাম্য সালিশ বসে। সালিশে অভিযুক্তকে ৩৩ বেত্রাঘাত, জুতার মালা পরানো ও নাকে খড় দেওয়া হয়। সালিশের বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
ওসি আব্দুর রহিম সরকার আরও বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ভুক্তভোগী কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...