ছবি: সংগৃহীত।।
বিজ্ঞাপন
আহত অন্য দুই ছাত্রনেতা হলেন— শাখা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ।
ঘটনার বিবরণী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার জিরোপয়েন্ট ফেরিঘাট এলাকায় বালুর ড্রেজার বসানোকে কেন্দ্র করে দপদপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পান্থ ও তার সহযোগীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাংশের তর্কবিতর্ক হয়। পরদিন শনিবার রাতে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা ফেরিঘাট এলাকায় গিয়ে পান্থকে ফোন করেন। পান্থ জিরোপয়েন্টে আছেন জানালে ছাত্রদল নেতারা সেখানে যান এবং কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মারধর করেন।
এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে পান্থর নেতৃত্বে স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা জড়ো হয়ে ছাত্রদল নেতাদের ওপর পাল্টা হামলা চালায় এবং তাদের গণধোলাই দেয়। এতে ছাত্রদলের ওই তিন নেতা আহত হন।
খবর পেয়ে রাত ১২টার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের মধ্যস্থতায় এক বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং অবরুদ্ধ নেতাদের উদ্ধার করা হয়। সালিশ বৈঠকের পর অভিযুক্ত বিএনপি নেতা পান্থ ঘটনার জন্য ভুল স্বীকার করেন। একপর্যায়ে তাকে কান ধরে উঠবস করে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়, যার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার বিষয়ে জানতে ববি শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন কেটে দেন।
অন্যদিকে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত ভিন্ন দাবি করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার প্রতিবাদ জানাতে গেলে আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধান হয় এবং অভিযুক্তরা ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চান।”
তবে সার্বিক বিষয়ে ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর তার জানা নেই।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...