Logo Logo

বিকাশ দিয়ে ফেসবুক বুস্টের দ্বার উন্মুক্ত : স্বস্তিতে দেশের এফ-কমার্স উদ্যোক্তারা


Splash Image

বাংলাদেশি এফ-কমার্স ও ডিজিটাল মার্কেটিং খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য বড় স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মেটা। আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড, পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট কিংবা ডুয়াল কারেন্সি কার্ড ছাড়াই এখন সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন বা বুস্টিংয়ের অর্থ পরিশোধের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মেটা তাদের বিজ্ঞাপনী প্ল্যাটফর্মে পেমেন্ট মেথড হিসেবে দেশীয় মোবাইল আর্থিক সেবা ‘বিকাশ’ পরীক্ষামূলকভাবে যুক্ত শুরু করেছে।


বিজ্ঞাপন


দীর্ঘদিন ধরে দেশের ছোট ও মাঝারিসারি উদ্যোক্তারা ফেসবুকে ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে নানা জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছিলেন। আন্তর্জাতিক কার্ডের উচ্চ ফি, বার্ষিক চার্জ এবং ব্যাংকভিত্তিক জটিলতার কারণে অনেক নতুন উদ্যোক্তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও মেটার প্ল্যাটফর্মে সঠিক বিজ্ঞাপন চালাতে পারছিলেন না। অ্যাডস ম্যানেজারে বিকাশের মতো সহজলভ্য পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত হওয়ায় স্থানীয় মুদ্রায় (টাকায়) সহজেই বিজ্ঞাপনের খরচ মেটানো সম্ভব হবে, যা দেশের উদীয়মান তরুণ ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসার পরিধি বিস্তারে নতুন দুয়ার খুলে দেবে।

ব্যবহারকারীদের থেকে প্রাপ্ত একাধিক স্ক্রিনশটে দেখা গেছে, মেটা অ্যাড ম্যানেজারের "Add Payment Method" সেকশনে ব্যাংক কার্ডের ঠিক নিচেই যুক্ত হয়েছে "bKash" অপশন। বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারী এই ফিচারটি দৃশ্যমান দেখতে পাচ্ছেন এবং তাদের কেউ কেউ সফলভাবে লেনদেন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা, মেটা সাধারণত নতুন পেমেন্ট অপশন সারা দেশব্যাপী চালুর আগে রোল-আউট বা বিটা টেস্টিং চালিয়ে থাকে।

তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষজ্ঞদের মতে, সহজলভ্য দেশীয় পেমেন্ট মাধ্যম যুক্ত হওয়া আন্তর্জাতিক লেনদেনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতদিন ডলার কার্ডের অপ্রতুলতার কারণে অনেক উদ্যোক্তা বাধ্য হয়ে অনানুষ্ঠানিক বা থার্ড-পার্টি মাধ্যমে চড়া দামে পেমেন্ট করাতেন, যা অনিয়মিত লেনদেনের (হুন্ডি) ঝুঁকি তৈরি করত। বিকাশ পেমেন্ট গেটওয়ে পুরোপুরি সক্রিয় হলে ব্যাংক চ্যানেলে কিংবা অনুমোদিত এমএফএস চ্যানেলে স্বচ্ছভাবে টাকার লেনদেন সম্পন্ন হবে। ফলশ্রুতিতে গ্রামীণ ও তরুণ উদ্যোক্তারা কোনো বড় মূলধন ছাড়াই সহজেই তাঁদের পণ্য বিশ্বমানের বিপণন ব্যবস্থার আওতায় আনতে পারবেন, যা দেশের সার্বিক ডিজিটাল অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...