বিজ্ঞাপন
প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৬ থেকে ৭ কোটি টাকার সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে বড় বাজার এলাকার সুচিত্রা স্টোর নামের প্লাস্টিকের খেলনা ও কসমেটিকসের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা আশপাশের দোকান ও বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় পরে বিভিন্ন স্থান থেকে আরও চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জানমাল রক্ষায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। তবে আগুন দেখতে বিপুলসংখ্যক উৎসুক মানুষের ভিড়ের কারণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আগুন নেভানোর কাজে বেশ বেগ পেতে হয়।
আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় ফায়ার সার্ভিসের চারজন কর্মী আহত হন। আহত হওয়ার পরও তারা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টার প্রাণান্তকর চেষ্টার পর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
ততক্ষণে আগুনে সুচিত্রা স্টোর, মজুমদার ইলেকট্রনিকস ও ক্রোকারিজ, মজুমদার কসমেটিকস এবং আরিফ সু স্টোর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পাশাপাশি দোকানসংলগ্ন চারটি বাসাও আগুনে পুড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. খানে আলম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক হিসাবে অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ৬ থেকে ৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ শেষ হলে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...