বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি পাঠানো হয়।
স্মারকলিপি প্রদানের আগে শহরের শহীদ মিনার এলাকায় অবস্থিত দলিল লেখক সমিতির জেলা কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে এক সমাবেশে মিলিত হয়।
সংগঠনের সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ, দলিল লেখক আজগর আলী সরকার এবং ডিমলা উপজেলার দলিল লেখক মাসুদ রানা।
স্মারকলিপিতে পেশ করা সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, দলিল লেখকদের সম্মানি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কারও দলিল লেখার সুযোগ না দেওয়া, অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রদান না করা, সরকারি খরচে দলিল লেখকদের বসার ব্যবস্থা ও নামাজের স্থান নির্ধারণ, দলিল লেখক কাউন্সিল গঠন এবং পেশাগত কারণে দলিল লেখকদের আসামি না করা।
বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী জানান, এসব দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি কেন্দ্রীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে বিএনপির নেতারাও তাঁদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। পরবর্তীতে দাবি আদায়ে দেশজুড়ে লিফলেট বিতরণ ও নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিয়ে দলিল লেখকদের পাশে দাঁড়াবেন।”
পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুজহাত তাসনীম আওন দলিল লেখকদের স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...