বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের নিজ গালুয়া এলাকার একটি খাল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফাহিম গালুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সৌদি প্রবাসী মো. সোহাগ হাওলাদারের ছেলে। সে ৪৬ নম্বর নিজ গালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে ফাহিম তাঁর মাকে ভাত দেওয়ার কথা বলে বাড়ির সামনের খালে গোসল করতে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি না ফেরায় তাঁর মা ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের খালের ঘাটে ফাহিমের জুতা ও পরনের কাপড় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ফাহিম মানসিক প্রতিবন্ধী ও মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিল বলে পরিবার জানায়।
প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা জাল ফেলে খালে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। পরে রাতে রাজাপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরদিন বুধবার নিখোঁজ ফাহিমের দাদা আবদুল মান্নান হাওলাদার (৭৫) পুনরায় খালে জাল দিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং একপর্যায়ে নাতির মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন। খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস জানান, ফাহিমের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...