বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের শিমুলতলী সংলগ্ন রেলগেট এলাকা থেকে তানভীরের গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ। পরবর্তীতে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে দুর্ঘটনাস্থলের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে তাঁর বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের এই অস্বাভাবিক অবস্থার কারণে ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় ও স্বজনদের মধ্যে গভীর সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত মীর তানভীর আহমেদ মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তাঁর বাবা মীর বজলুর রশিদ জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। দুই ভাইয়ের মধ্যে তানভীর ছিলেন মেজো।
এ ঘটনার বিষয়ে নিহতের বাবা মীর বজলুর রশিদ জানান, তাদের পারিবারিক কোনো কলহ বা বিরোধ ছিল না। তবে দিনাজপুরে কর্মরত থাকাকালীন তাঁর ছেলে স্থানীয় কয়েকজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই পূর্বশত্রুতার জের ধরেই তানভীরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর পরিবার তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে সিআইডির ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়।
এদিকে এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মীর তানভীর আহমেদের মৃত্যুর মূল কারণ উদঘাটনের জোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এই ঘটনার পেছনে কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...