বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের তারাইল বড় মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি সোহেল মোল্যা একই গ্রামের মৃত জিন্নাত আলী মোল্যার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারাইল বড় মাঠের পাশে সরকারি খাস পুকুরের পাড়ে দেবদারু, উড়িয়াম, কড়াই ও লাটিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১১টি মূল্যবান গাছ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি অনুমতি না নিয়ে সোহেল মোল্যা এসব গাছ একই গ্রামের রিপন শেখের কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।
বুধবার সকালে রিপন শেখ শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। তারা গাছ কাটায় বাধা দিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। পরে স্থানীয় তহশীলদার ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা গাছগুলো উদ্ধার করেন।
তবে গাছ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সোহেল মোল্যা। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘আমি পুকুরটি লিজ নিয়েছি। সরকারিভাবে নতুন করে গাছ লাগানো হবে বলে পুকুরপাড়ের আগাছা পরিষ্কার করতে বলা হয়েছে। কিন্তু সে বড় গাছ কেটে ফেলেছে।’
অন্যদিকে গাছের ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, ‘আমি সোহেল মোল্যার কাছ থেকে ১১টি গাছ ২৫ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে এসেছি। সাতটি কাটার পর তহশীলদার এসে বাধা দিয়েছেন।’
ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া কারও গাছ কাটার এখতিয়ার নেই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ উদ্ধার করেছি। বাকি চারটি গাছ এখনও কাটা হয়নি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।’
কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমাকে জানিয়েছেন। কাটা গাছগুলো ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে জব্দ করতে বলা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...