বিজ্ঞাপন
খবর ছড়িয়ে পড়লে এটি দেখতে নদীর তীরে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। পরে স্থানীয় কয়েকজন কিশোর—সৌরভ, জুবায়ের, পায়েল, আব্দুল্লাহ ও সাইফুল—নদী থেকে মৃত ডলফিনটি টেনে তীরে নিয়ে আসেন। স্থানীয়দের ধারণা, এটি মিঠাপানির ডলফিন বা গঙ্গাশুশুক। তাদের দাবি, মৃত ডলফিনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ১০০ কেজি।
স্থানীয় কিশোর জুবায়ের বলেন, “নদীতে ডলফিনটি ভেসে থাকতে দেখে আমরা কয়েকজন মিলে সেটিকে নদীর পাড়ে টেনে নিয়ে আসি। পরে এটি দেখতে অনেক মানুষ নদীর পাড়ে জড়ো হন।”
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা বলেন, নদীর পানি দূষিত হলে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা কমে যেতে পারে। এতে শুশুকসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর জন্য প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি হয়। নদীতে বর্জ্য ও দূষিত তরল পদার্থ ফেলা বন্ধ করে পানির স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষা করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, তবে মৃত শুশুকটির মৃত্যুর সঠিক কারণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।
স্থানীয়রা নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিষখালী নদীতে বর্জ্য ও দূষিত পদার্থ ফেলা বন্ধ এবং জলজ প্রাণীর নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...