বিজ্ঞাপন
প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, মোহাম্মদীয়া ফুড এন্ড হাউজিং লিমিটেড দীর্ঘদিন ধরে চাটখিলে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানবসেবায় নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম সহযোগী অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘মোহাম্মদীয়া হাউজিং’ শুরু থেকেই সর্বোচ্চ সততা, সতর্কতা ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, যেকোনো ভূমি ক্রয় ও নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তারা প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রমাণাদি ও আইনগত কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি অভিজ্ঞ আইনজীবীদের আইনি পরামর্শ গ্রহণ করে থাকে। এরপরও জমি ক্রয় বা বিনিয়োগ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে যদি সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের আপত্তি থাকে, তবে তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নিরসনের চেষ্টা করা হয়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মোহাম্মদীয়া হাউজিং এখন পর্যন্ত যেসব প্রকল্পে বিনিয়োগ সম্পাদন করেছে, তার প্রতিটির মালিকানা ও দালিলিক ভিত্তি শতভাগ নিশ্চিত হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি কখনো কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করেনি।
অথচ সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাওলানা মোহাম্মদ মনির হোসেনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।
মোহাম্মদীয়া ফুড এন্ড হাউজিং লিমিটেডের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও চেয়ারম্যানের সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে কেউ যদি এ জাতীয় মিথ্যা তথ্য প্রচার অব্যাহত রাখে, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, চাটখিল উপজেলায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন মাওলানা মোহাম্মদ মনির হোসেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রায় ১৫টি শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যার ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করছে শত শত পরিবার। এর পাশাপাশি গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতকরণেও প্রতিষ্ঠানটি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিবেদক- মোঃ সিরাজুল ইসলাম হাসান, চাটখিল, নোয়াখালী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...